কভিড -১৯ (কোরোনা ভাইরাস)
সবাই ভালো ভাবে বোঝার চেষ্টা করুন , এখন এটা সবাই জেনে গেছে কোরোনা ভাইরাস সবথেকে বেশি এক জায়গায় ২০ঘন্টা বেঁচে থাকতে পারে । তাই রবিবার সকাল থেকে মানে শনিবার রাত ১০টার থেকে (৯৯.৯০% ধরা যেতে পারে) আপনি এক ই জায়গায় থাকবেন । কার্ফু শেষ হওয়ার সময় রাত ৯টা অর্থাৎ আপনি সোমবার সকাল ৭টা পর্যন্ত এক ই জায়গায় ৩৩ ঘন্টা থাকবেন । এই সময় দেশের সমস্ত জায়গায় যেমন ট্রেন, বাস, শপিং মল তার দরজা, হ্যান্ডেল, সিঁড়ি, যেখানেই ভাইরাস থাকুক নিজে থেকেই শেষ হয়ে যাবে । এই মেসেজ দয়াকরে সবাইকে ফরোয়ার্ড করুন । তাতে আমি আপনি সবাই উপকৃত হবো ।
যারা জানেন না তারা জানুন একদিনের #জনতা #কারফিউ এর ফল কি হবে বা এর কারণ ‼
গবেষক দের মতে করোনা ভাইরাসের একটা জায়গায় ১২ ঘন্টার বেশি বাঁচতে পারে না। আর এই ১৪ ঘন্টার কারফিউ এর ফলে মানুষ বাড়ি থেকে না বেড়ালে জমায়েত না হলে ভাইরাস আক্রান্ত মানুষের সংস্পর্শ এ না এলে এই একদিন ১৪ ঘন্টা ভাইরাস এর সংক্রমণ এর #চেন টা #ভেঙে যাবে। রবিবার ছুটির দিন কেনো বাছা হলো কারন ছুটির দিনে বেশি সংখ্যক মানুষ বাইরে একত্রিত হয়।যেহেতু ছুটির দিন বাধ্যতামূলক বাইরে বেড়ানোর প্রয়োজন তেমন থাকে না। ভারতে প্রায় ১২৫ কোটি মানুষ। তার এক চতুর্থাংশ সংক্রামিত হলে ত্রিশ কোটির বেশি। সেই চাপ সামলানোর মতো পরিকাঠামো ভারতে কেন, কোথাও নেই। সংক্রামিত রোগীদের দশ শতাংশের যদি আইটিউ বা ভেণ্টিলেটর লাগে, তবে তিন কোটি। সমগ্র ব্যবস্থা ভেঙে পড়বে চাপে। করোনায় মৃত্যুর হার বেশি নয় বলে যাঁরা সচেতনতা বৃদ্ধির সরকারি প্রচারকে অহেতুক আতঙ্ক বলে বিদ্রূপ করছেন, তাঁদের জানাই, চিকিৎসা না পেলে কিন্তু মৃত্যুর হার অনেক বাড়বে।
আর এই রবিবার জনতা কারফিউ এর মাধ্যমে আমরা ভাইরাস সংক্রমণ এর চেন টা যদি ভেঙে দিতে পারি আমরা ভারতবাসী বেঁচে যাবো।
জনতা কারফিউ এর মুল ধারণা এটা... তাই রাজনীতি না করে সফল করুন।
যারা জানেন না তারা জানুন একদিনের #জনতা #কারফিউ এর ফল কি হবে বা এর কারণ ‼
গবেষক দের মতে করোনা ভাইরাসের একটা জায়গায় ১২ ঘন্টার বেশি বাঁচতে পারে না। আর এই ১৪ ঘন্টার কারফিউ এর ফলে মানুষ বাড়ি থেকে না বেড়ালে জমায়েত না হলে ভাইরাস আক্রান্ত মানুষের সংস্পর্শ এ না এলে এই একদিন ১৪ ঘন্টা ভাইরাস এর সংক্রমণ এর #চেন টা #ভেঙে যাবে। রবিবার ছুটির দিন কেনো বাছা হলো কারন ছুটির দিনে বেশি সংখ্যক মানুষ বাইরে একত্রিত হয়।যেহেতু ছুটির দিন বাধ্যতামূলক বাইরে বেড়ানোর প্রয়োজন তেমন থাকে না। ভারতে প্রায় ১২৫ কোটি মানুষ। তার এক চতুর্থাংশ সংক্রামিত হলে ত্রিশ কোটির বেশি। সেই চাপ সামলানোর মতো পরিকাঠামো ভারতে কেন, কোথাও নেই। সংক্রামিত রোগীদের দশ শতাংশের যদি আইটিউ বা ভেণ্টিলেটর লাগে, তবে তিন কোটি। সমগ্র ব্যবস্থা ভেঙে পড়বে চাপে। করোনায় মৃত্যুর হার বেশি নয় বলে যাঁরা সচেতনতা বৃদ্ধির সরকারি প্রচারকে অহেতুক আতঙ্ক বলে বিদ্রূপ করছেন, তাঁদের জানাই, চিকিৎসা না পেলে কিন্তু মৃত্যুর হার অনেক বাড়বে।
আর এই রবিবার জনতা কারফিউ এর মাধ্যমে আমরা ভাইরাস সংক্রমণ এর চেন টা যদি ভেঙে দিতে পারি আমরা ভারতবাসী বেঁচে যাবো।
জনতা কারফিউ এর মুল ধারণা এটা... তাই রাজনীতি না করে সফল করুন।

No comments: